Thursday, February 25, 2010
Sunday, February 21, 2010
Thursday, February 11, 2010
শিশু শ্রম বন্ধের আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই ,এভাবে ঝুকিপূর্ন কাজ করছে প্রতিদিন অনেক শিশু ।
এই ছেলেটির নাম উজ্জল ছেলেটি গাজীপুর চৌরাস্তা হতে নবীনগর রুটে লেগুনা গাড়ীতে হেলপার ।ছবিতে দেখুন কি ঝূকিপূর্ণ ভাবে দাড়িয়ে আছে ।দেখে ছেলেটিকে মনে হলো প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষা নেই ।এভাবে অনেক শিশু এই রুটে গাড়ীর হেলপারি করছে অথচ এদের যেন কারো কোন দায়ভার নেই ।জাতিসংঘ সনদে সাক্ষর দেশ বাংলাদেশ ,আইন অনুযায়ী শিশু শ্রম বাংলাদেশে সম্পূর্ণ হারাম .অথচ এভাবে দেদারছে চলছে শিশু শ্রম ।ছেলেটির বয়স ৯/১০ এই ছেলেটির বয়স অনুযায়ী পড়াশোনা করার কথা ।অথচ সে এখন কর্মে ব্যস্ত ।আমার প্রশ্ন সরকার কি করছে এদের জন্য ।এভাবে আর কত শিশুর ভবিষ্যত্ নষ্ট হবে.এভাবে শিশুরা অবহেলা বড় হতে থাকলে প্রকৃত ডিজিটাল বাংলাদেশ কতটুকু সম্ভব হবে ?দয়া করে অবহেলিত জন্য কিছু করুন ,শিশু শ্রম বন্ধে আইন প্রয়োগ করুন ।অবহেলিত শিশু পুর্নবাসনে কার্য্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করুন । < p>
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun http://www.poorchildclub.blogspot.com
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun http://www.poorchildclub.blogspot.com
Monday, February 8, 2010
গাজীপুরে ৭ বত্সরের শিশুকন্যা উষা বুদ্ধি যেভাবে পাচারকারির কালো থাবা রক্ষা করল ।অল্পের জন্য রক্ষা পেল এই শিশুটি ।
গাজীপুরের কোনাবাড়ী আমবাগ এলাকায় বাড়ী এই উষার,৫ই ফেব্রুয়ারী শুক্রবার
বিকেল বেলা প্রতিদিনের মত রাস্তায় বের হয়ে খেলা করছিল .হঠাত্ তাদের
বাসার
ভাড়াটিয়ার স্ত্রী ঊষাকে বলল উষা আমার সাথে বাজারে যাবে উশা বলল চলেন
আন্টি বাজার তাদের বাসা থেকে বেশী দুরে নয় ।তখন পাচারকারি মহিলাটি বলল
ঊষা এখানে ভাল কিছু পাওয়া যাচ্ছে না আমাদের কোনাবাড়ী বাজারে যেতে হবে ,এই সুযোগে মহিলাটি ঊষাকে চকলেট ও চিপস কিনে দেয়।তারপর
কোনাবাড়ীতে অপেক্ষারত ওই মহিলার ভাইয়ের হাতে তুলে দিয়ে বলে তুমি এখানে
তোমার আংকেল সাথে অপেক্ষা কর আমি তোমার জন্য জুস কিনে আনছি বলে কেটে পড়ে
মহিলাটি ।তারপর মেয়েটিকে নিয়ে গাড়ী উঠার সময় জিঞ্জেস করে আপনি আমাকে
কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন ,লোকটি উত্তর দেয় তোমাকে ভাল পুতুল কিনে দিব বলে
চৌরাস্তা নিয়ে যাচ্ছি ।তারপর লোকটি উষাকে নেত্রকোনার কমলাকান্দায় তার
নিজের বাড়ীতে নিয়ে আটকে রাখে ,অনেক কান্নাকাটি করে উষা যখন ভোর রাত্রে
বাড়ীর লোক ঘুমিয়ে পড়লে উষা বুঝতে পারে সে পাচার কারির খপ্পরে পড়েছে , সে
দরজা খুলে ঘরথেকে বেরহয়ে দ্রুত দৌড়াতে থাকে .সে একটি স্কুলের কাছে চলে
আসে ভোর বেলা ।সেখানে এক দোকানদার কে দোকান খুলতে দেখলে তাকে জরিয়ে ধরে
তারপর তার কাছে আশ্রয় নেয় উষা ।সব কিছু খুলে বলে তারকাছে .তারপর দোকানির
মোবাইল ফোন দিয়ে ঊষা কথা বলে তার বাবার সাথে.ঠিকানা পুরোপুরি বলতে না পারলেও বাবার মোবাইল নাম্বার মনে ছিল তার,তারপর আটক করা হয় ওই মহিলা ও তার
স্বামীকে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে ।মহিলা গার্মেন্টস শ্রমিকের ছদ্ধবেশে শিশু পাচার করত বলে স্বীকার করেছে । যে বাড়ীতে ঊষাকে আটকে রাখা
হয়েছিল উষা আর সে বাড়ী চিনতে পারেনি ।উষা এখন তার বাড়ীতে ভাল আছে ঊষার
বাবা উসমান আলী পেশায় একজন কামার কোনাবাড়ীর আমবাগের বোর্ডঘর এলাকায় তাদের বাড়ী
।ঘটনাটি এই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে । ঘটনার বিবরন প্রত্যক্ষদর্শীর
কাছে পাওয়া ।
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun www.todaybd.blogspot.com
বিকেল বেলা প্রতিদিনের মত রাস্তায় বের হয়ে খেলা করছিল .হঠাত্ তাদের
বাসার
ভাড়াটিয়ার স্ত্রী ঊষাকে বলল উষা আমার সাথে বাজারে যাবে উশা বলল চলেন
আন্টি বাজার তাদের বাসা থেকে বেশী দুরে নয় ।তখন পাচারকারি মহিলাটি বলল
ঊষা এখানে ভাল কিছু পাওয়া যাচ্ছে না আমাদের কোনাবাড়ী বাজারে যেতে হবে ,এই সুযোগে মহিলাটি ঊষাকে চকলেট ও চিপস কিনে দেয়।তারপর
কোনাবাড়ীতে অপেক্ষারত ওই মহিলার ভাইয়ের হাতে তুলে দিয়ে বলে তুমি এখানে
তোমার আংকেল সাথে অপেক্ষা কর আমি তোমার জন্য জুস কিনে আনছি বলে কেটে পড়ে
মহিলাটি ।তারপর মেয়েটিকে নিয়ে গাড়ী উঠার সময় জিঞ্জেস করে আপনি আমাকে
কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন ,লোকটি উত্তর দেয় তোমাকে ভাল পুতুল কিনে দিব বলে
চৌরাস্তা নিয়ে যাচ্ছি ।তারপর লোকটি উষাকে নেত্রকোনার কমলাকান্দায় তার
নিজের বাড়ীতে নিয়ে আটকে রাখে ,অনেক কান্নাকাটি করে উষা যখন ভোর রাত্রে
বাড়ীর লোক ঘুমিয়ে পড়লে উষা বুঝতে পারে সে পাচার কারির খপ্পরে পড়েছে , সে
দরজা খুলে ঘরথেকে বেরহয়ে দ্রুত দৌড়াতে থাকে .সে একটি স্কুলের কাছে চলে
আসে ভোর বেলা ।সেখানে এক দোকানদার কে দোকান খুলতে দেখলে তাকে জরিয়ে ধরে
তারপর তার কাছে আশ্রয় নেয় উষা ।সব কিছু খুলে বলে তারকাছে .তারপর দোকানির
মোবাইল ফোন দিয়ে ঊষা কথা বলে তার বাবার সাথে.ঠিকানা পুরোপুরি বলতে না পারলেও বাবার মোবাইল নাম্বার মনে ছিল তার,তারপর আটক করা হয় ওই মহিলা ও তার
স্বামীকে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে ।মহিলা গার্মেন্টস শ্রমিকের ছদ্ধবেশে শিশু পাচার করত বলে স্বীকার করেছে । যে বাড়ীতে ঊষাকে আটকে রাখা
হয়েছিল উষা আর সে বাড়ী চিনতে পারেনি ।উষা এখন তার বাড়ীতে ভাল আছে ঊষার
বাবা উসমান আলী পেশায় একজন কামার কোনাবাড়ীর আমবাগের বোর্ডঘর এলাকায় তাদের বাড়ী
।ঘটনাটি এই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে । ঘটনার বিবরন প্রত্যক্ষদর্শীর
কাছে পাওয়া ।
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun www.todaybd.blogspot.com
হামীম ও সুমীর প্রাণ কেড়ে নেয়ার জন্য প্রকৃত দায়ী কে,এরপর কার পালা ?গাজীপুরে অল্পের জন্য পাচারকারীর হাত থেকে রক্ষা পেলেন ৭বত্সরের মেয়ে তুশো ।
বাস চাপা দিয়ে মেরা ফেলা দুই শিশু একজন হামীম ও অন্যজন সুমী,প্রতিদিন ঘটছে অহরহ সড়ক দুর্ঘনা ঘটছেই ,সর্বশেষ ট্রাকের ধাক্কায় সর্বশেষ প্রান দিতে হলো ৬জন পুলিশ সদস্যকে ।এখন প্রশ্ন এগুলোর জন্য দায়ী কে ?প্রতিদিন অদক্ষ চালকেরা প্রশাসনের ছত্রছায়ায় অসংখ্য ভূয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করছে ,এর কারনে যেমন ঢাকাতে থাকে সবসময় যানজট অপরদিকে সারাদেশে একটার পর একটা সড়ক দুর্ঘনা,সড়ক দুর্ঘটনার ফলে প্রতিদিন ঝরে পড়ছে অসংখ্য তাজা প্রান ,নেই প্রসাশনের দিক থেকে কঠোর ব্যবস্থা । ভূয়া ড্রাইভাররা এমন মানুষিকতা নিয়ে রাস্তায় চলে রাস্তায় তাদের কাগজপত্র চেক হওয়ার সময় হাতে কিছু ধরিয়ে দিলেই রক্ষা পাওয়া যায় ।পাঠক সত্য ঘটনা আমার চোখে দেখা আজ ২বত্সর আগে পল্টণ থেকে গুলশান যাচ্ছিলাম হঠাত্ বিজয়নগর কাকরাইল এলাকায় গাড়ীটি একজন সার্জেন্ট এসে থামিয়ে দিল,তারপর ড্রাইভার কে কাগজপত্র বের করতে বলল .ড্রাইভার পলিতে মোড়ানো কিছু কাগজ বের করে তার হাতে দিল । সেগুলো দেখার পর অফিসারটি কাগজগুলো নিয়ে একটি দোকানে প্রবেশ করল,ড্রাইভার পকেট থেকে ২০০টাকা বের করে হেলপার পাঠিয়ে দিল ওই দোকানে তারপর কাগজ গুলো দ্রুত চলে এলো হেলপারটি ওই দোকানি ভিতর কি হয়েছিল তা দেখিনি,তবে আপনারা আন্দাজ করতে পারেন ।আবার মহাখালী ফ্লাইওভারের ওখানে এরকম বাসের কন্টাকট্ররের হাতে হাত লাগাতে প্রায়ই দেখা যায় কাগজপত্র চেক করার নামে ।যতদিন পর্য্যন্ত হাতে হাত লাগানো বন্ধ না করা যাবে ,ততদিন পর্য্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ ও যানজট মুক্তঢাকা শুধু স্বপ্ন থেকে যাবে । আর প্রতিদিন ঝড়বে অসংখ্য তাজা প্রান ,স্বপ্ন ধূলিসাত্ হবে হামীম.সুমী সহ অসংখ্য মায়ের ।তাই সরকারের কাছে আমার আবেদন, ভূয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে যেন রাস্তায় বের হতে না পারে এজন্য কঠিন আইন করা উচিত্ ।গাড়ীর মালিকদের প্রতি আবেদন সামান্য কয়েকটি টাকা বাঁচাতে অদক্ষ ড্রাইভারের হাতে আপনার গাড়ীটি তুলে দিবেন না ।
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun http://www.poorchildclub.blogspot.com
Saturday, February 6, 2010
স্বপ্নের ঢাকা ও যানজট মুক্ত ঢাকা গড়তে চাই কার্য্যকরি কিছু পদক্ষেপ ।
যানজট ও জনসংখ্যা এখন ঢাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা ,ঢাকাকে স্বপ্নের নগরী
গড়তে দ্রুত কিছু কার্য্যকরি পদক্ষেপ নেয়া উচিত্ ।গুরুত্বপূর্ণ অফিস ছাড়া
সকল অফিস ও মিল কারখানা ঢাকার বাহিরে স্থানান্তর করতে ও গ্রামীন
শিল্পায়নের দিকে জোর দিতে হবে ও বিভাগীয় শহর গুলোকে শিল্পাঞ্চনে পরিনত
করতে হবে ।বর্তমানে ঢাকা ও চিটাগাং ছাড়া অন্য কোন অঞ্চলে তেমন কোন শিল্প
তত্পরতা নেই ,অঞ্চল ভিত্তিক শিল্পাঞ্চল গড়তে পারলে একদিকে যেমন ঢাকার
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব তেমনি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব
হবে ।দেশের প্রত্যকটি বিভাগীয় শহরকে শিল্পাঞ্চল গড়লে ঢাকাকে ফাঁকা করা
অনেকটা সম্ভব হবে ।বর্তমানে ঢাকাতে কসমেটিকস ও বিস্কুট ও অন্য অন্য
কারখানা যা বাংলাদেশে যেকোন জায়গায় উত্পাদন করে বাজারজাত করা সম্ভব
।যেমন প্রাণ গ্রুপ কিন্তু তাদের পন্যগুলো উত্তরাঞ্চলে উত্পাদন করে তা
বাজারজাত করছে।বায়ারের অর্ডার পাওয়ার স্বার্থে বায়িং সাথে ভাল যোগাযোগ
রাখতে শুধু গার্মেন্টস সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলো ঢাকার আশেপাশের জেলাগুলোতে
স্থানান্তর করা যেতে পারে ।যেহেতু রাজধানীর সীমানা গাজীপুর পর্য্যন্ত
করার চিন্তা চলছে তাই অল্প প্রয়োজনীয় অফিস গুলো ঢাকার বাহিরে স্থানান্তর
করা উচিত্ ।সরকারকে অবশ্যই এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে
।শিল্পকারখানার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সকল অঞ্চলে,এটা কোন
ব্যাপার না বলে ফেলে রাখলে হবে না ।চাঁদাবাজ মুক্ত করতে হবে সকল অঞ্চলে
।স্বপ্নের ও পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে অঞ্চল ভিত্তিক শিল্পাঞ্চলের বিকল্প নেই
।
গড়তে দ্রুত কিছু কার্য্যকরি পদক্ষেপ নেয়া উচিত্ ।গুরুত্বপূর্ণ অফিস ছাড়া
সকল অফিস ও মিল কারখানা ঢাকার বাহিরে স্থানান্তর করতে ও গ্রামীন
শিল্পায়নের দিকে জোর দিতে হবে ও বিভাগীয় শহর গুলোকে শিল্পাঞ্চনে পরিনত
করতে হবে ।বর্তমানে ঢাকা ও চিটাগাং ছাড়া অন্য কোন অঞ্চলে তেমন কোন শিল্প
তত্পরতা নেই ,অঞ্চল ভিত্তিক শিল্পাঞ্চল গড়তে পারলে একদিকে যেমন ঢাকার
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব তেমনি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব
হবে ।দেশের প্রত্যকটি বিভাগীয় শহরকে শিল্পাঞ্চল গড়লে ঢাকাকে ফাঁকা করা
অনেকটা সম্ভব হবে ।বর্তমানে ঢাকাতে কসমেটিকস ও বিস্কুট ও অন্য অন্য
কারখানা যা বাংলাদেশে যেকোন জায়গায় উত্পাদন করে বাজারজাত করা সম্ভব
।যেমন প্রাণ গ্রুপ কিন্তু তাদের পন্যগুলো উত্তরাঞ্চলে উত্পাদন করে তা
বাজারজাত করছে।বায়ারের অর্ডার পাওয়ার স্বার্থে বায়িং সাথে ভাল যোগাযোগ
রাখতে শুধু গার্মেন্টস সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলো ঢাকার আশেপাশের জেলাগুলোতে
স্থানান্তর করা যেতে পারে ।যেহেতু রাজধানীর সীমানা গাজীপুর পর্য্যন্ত
করার চিন্তা চলছে তাই অল্প প্রয়োজনীয় অফিস গুলো ঢাকার বাহিরে স্থানান্তর
করা উচিত্ ।সরকারকে অবশ্যই এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে
।শিল্পকারখানার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সকল অঞ্চলে,এটা কোন
ব্যাপার না বলে ফেলে রাখলে হবে না ।চাঁদাবাজ মুক্ত করতে হবে সকল অঞ্চলে
।স্বপ্নের ও পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে অঞ্চল ভিত্তিক শিল্পাঞ্চলের বিকল্প নেই
।
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun http://www.todaybd.blogspot.com
Thursday, February 4, 2010
শিক্ষকের অসহায় আত্নসর্মপন যখন ছাত্রনামধারী সন্ত্রাসীদের কাছে,ঘৃণ্য ছাত্ররাজনীতির শিকার যখন নিরীহ ছাত্র ।কোথায় গিয়ে দাড়াচ্ছে ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যত্ ও শিক্ষা ব্যবস্থা?
এই লেখা যখন লিখছি তখন আমি সত্যই ভীষণ মর্মাহত ও শোকাহত, কারন অনেক গুলো কিছুদিন আগে রাজশাহী ভার্সিটিতে ছাত্রলীগের হাতে একছাত্র খুন ও শিক্ষক লাঞ্চিত,ঢাকা ভার্সিটিতে ছাত্রদল সভাপতি টুকুর আগমন উপলক্ষে সহিংসতা, কুষ্টিয়া ভার্সিটিতে ছাত্রলীগের নির্দেশে ভর্তি পরিক্ষা বন্ধ, ঢাকা কলেজে তিন শিক্ষক লাঞ্চিত ও ছাত্রনামধারী সন্ত্রাসীদের অরাজকতা ও ভর্তি পরিক্ষা বন্ধ,সর্বশেষ ২রা ফেব্রুয়ারী রাতে মৃত্য হল ঢাকা ভার্সিটির ইতিহাস বিভাগের ছাত্র আবুবকর ছিদ্দিকের ।আবুবকর ছিদ্দিকের মৃত্যই প্রমান করছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্হার কতটুকু অধঃপতন হয়েছে.আবুবকর ছিদ্দিকের মৃত্যর সাথে মৃত্য হয়েছে তার দুখিনী মায়ের স্বপ্ন ও তার পরিবারের ভবিষ্যত্,পাশাপাশি আজ থেকে অসংখ্য বাবা ও মা সবসময় উদ্বেগ ও উত্কন্ঠার মধ্য থাকবে ,তার আদরের সন্তানটি ঠিক মতো পড়াশোনা করছে তো,হয়তো যাদের বেশী টাকা আছে তারা তাদের ছেলে মেয়েদের বিদেশে লেখাপড়া করাবেন .কিন্তু আবুবকরের মতো গরিব পরিবারের ছেলে মেয়েদের কি এভাবে অকালে প্রাণ দিতে.এই ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের কেউ কি প্রতিহত করতে পারবেনা ?পাঠক একটু ভাবুন কে করবে এদের প্রতিহত!সমাজের বিবেক ও সর্ব্বোচ্চ শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকরাও আজ এদের কাছে জিম্মি ,তারাও আজ এদের কাছে অসহায় আত্নসর্মপন করছে .আমার একটাই প্রশ্ন দেশে এতকিছু হওয়ার পরেও সরকার নীরব কেন ?সরকার ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে সারাদেশে শিক্ষাঙ্গন গুলোতে চলছে ছাত্রলীগের ক্ষমতা দখলের লড়াই সহিংসতা,যা কলুষিত করছে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্হাকে বর্হিবিশ্বে নষ্ট দেশের সম্মান ও ক্ষূণ্ণ করছে সরকারের ইমেজ ।তাই সরকারের কাছে আমার আবেদন.দেশের শিক্ষা ব্যবস্হাকে বাচাতে অতিদ্রুত ছাত্ররাজতনীতি বন্ধ করা উচিত্ ।আগে শিক্ষা ব্যবস্হা ত্রুটিমুক্ত করুন তারপর ডিজিটাল দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখুন ।
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun http://www.poorchildclub.blogspot.com
http://www.todaybd.blogspot.com
Monday, February 1, 2010
দেশ পরিচালনা করতে যখন ভারত থেকে ঋণ সহায়তা আনতে হচ্ছে ২০০০ কোটি ডলার,ঠিক সেই মূহুর্তে এমপি দের জন্য ৪০০কোটি টাকা ভর্তকি দিয়ে গাড়ী কেনা ও ল্যাপটপ কেনা কতটুকু নৈতিক ?
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে যখন সরকার ব্যর্থ,যতই বাড়ছে সাধারন মানুষের
মধ্যে কষ্টের তীব্রতা , ঠিক সেই মুহুর্তে এমপিদের জন্য শুল্কমুক্ত করার
পাশাপাশি ৪০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে গাড়ী কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।অপর
দিকে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি যোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে
প্রত্যক এমপির জন্য ল্যাপটপ কেনার ।সাধারন মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে
আগে গরিবের মুখে হাসি না ফুটিয়ে ,এখনো দেশের প্রতিটি হাসপাতালে
এ্যাম্বুলেন্স ও চিকিত্সা সেবা নিশ্চিত না করে, নিজেদের বিলাস বহুল
জীবনযাপনের চিন্তা করাটা কতটুকু নৈতিক সিদ্ধান্ত ?এমপি দের গাড়ী আর
ল্যাপটপ দিলেই তো আর দিন বদলো হবেনা আর দেশও ডিজিটাল হবেনা ।দিন বদল ও
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সূদুর প্রসারি চিন্তা করতে হবে.প্রথমে সচেতন ও
শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে দেশের প্রত্যক মানুষকে.সমাজ থেকে হিংসা
হানাহানি আগে বন্ধ করতে হবে,শিক্ষাঙ্গনে ছাত্ররাজনীতির নামে সন্ত্রাস
বন্ধ করতে হবে ,বিদেশ থেকে ঋণ এনে বিলাসিতা বন্ধ করতে হবে ।প্রকৃত জনসেবক
তারা, যারা কখনো নিজেদের বিলাসিতার কথা চিন্তা না করে সর্বদা দুঃখী
মানুষের মুখে হাসি ফুটায় ও দেশের উন্নয়নে কাজ করে ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
যদি আপনি সত্যই দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চান ও দেশকে ডিজিটালে
রুপান্তর করতে চান তাহলে অবশ্যই বন্ধ করতে এমপি ও মন্ত্রীদের বিলাসিতা
।আপনার মন্ত্রীরা নিজের পকেট থেকে কোটি সংবর্ধনা নেয়া বন্ধ করতে হবে
,আমার প্রশ্ন কোটি টাকা খরচ সংবর্ধনা নিচ্ছে আপনার মন্ত্রী এ টাকার উত্স
কি?
মধ্যে কষ্টের তীব্রতা , ঠিক সেই মুহুর্তে এমপিদের জন্য শুল্কমুক্ত করার
পাশাপাশি ৪০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে গাড়ী কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।অপর
দিকে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি যোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে
প্রত্যক এমপির জন্য ল্যাপটপ কেনার ।সাধারন মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে
আগে গরিবের মুখে হাসি না ফুটিয়ে ,এখনো দেশের প্রতিটি হাসপাতালে
এ্যাম্বুলেন্স ও চিকিত্সা সেবা নিশ্চিত না করে, নিজেদের বিলাস বহুল
জীবনযাপনের চিন্তা করাটা কতটুকু নৈতিক সিদ্ধান্ত ?এমপি দের গাড়ী আর
ল্যাপটপ দিলেই তো আর দিন বদলো হবেনা আর দেশও ডিজিটাল হবেনা ।দিন বদল ও
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সূদুর প্রসারি চিন্তা করতে হবে.প্রথমে সচেতন ও
শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে দেশের প্রত্যক মানুষকে.সমাজ থেকে হিংসা
হানাহানি আগে বন্ধ করতে হবে,শিক্ষাঙ্গনে ছাত্ররাজনীতির নামে সন্ত্রাস
বন্ধ করতে হবে ,বিদেশ থেকে ঋণ এনে বিলাসিতা বন্ধ করতে হবে ।প্রকৃত জনসেবক
তারা, যারা কখনো নিজেদের বিলাসিতার কথা চিন্তা না করে সর্বদা দুঃখী
মানুষের মুখে হাসি ফুটায় ও দেশের উন্নয়নে কাজ করে ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
যদি আপনি সত্যই দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চান ও দেশকে ডিজিটালে
রুপান্তর করতে চান তাহলে অবশ্যই বন্ধ করতে এমপি ও মন্ত্রীদের বিলাসিতা
।আপনার মন্ত্রীরা নিজের পকেট থেকে কোটি সংবর্ধনা নেয়া বন্ধ করতে হবে
,আমার প্রশ্ন কোটি টাকা খরচ সংবর্ধনা নিচ্ছে আপনার মন্ত্রী এ টাকার উত্স
কি?
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun http://www.poorchildclub.blogspot.com
http://www.todaybd.blogspot.com
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও এফএম রেডিও ভাষার জন্য ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠছে ।
প্রথমে এই ভাষার মাসে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি রফিক জব্বার সালাম বরকত সহ
যারা মাতৃভাষার ভাষার অকাতরে বিলিয়ে গেছে তাদের প্রাণ ও যারা সংগ্রামের
মাধ্যমে মাতৃভাষার সম্মান কে রেখেছে অক্ষূর্ণ ।আর ঘৃণা প্রর্দশন করছি
তাদের প্রতি যারা ভাষাকে অবমূল্যায়ন করছে ও বিভিন্নভাবে করছে কলুষিত
।বাংলাভাষা আজ শুধু আমাদের মধ্য সীমাবদ্ধ নেই যা দেশের গন্ডি পেরিয়ে
আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষায় রুপ নিয়েছে ।প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা চালাচ্ছেন
বাংলাকে জাতি সংঘের অন্যতম দাপ্ত রিক ভাষা করার জন্য ।কিন্তু দেশের মধ্য
ভাষাকে বিভিন্ন ভাবে কলুষিত করা হচ্ছে ,পাঠক ভাবুন ইংলিশ মিডিয়াম
স্কুল গুলোর কথা ,আমাদের শিশুদের যেখানে মাতৃভাষায় পড়াশোনা করার কথা অথচ
সেখানে অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা এখনো বাংলা ঠিক মত উচ্চারন করতে
পারেনা ও বলতে পারেনা ।অন্যদিকে এফএম রেডিও গুলো ভাষাকে করছে সবচেয়ে
বেশী কলংকিত, তারা কথা উচ্চারন করতে গিয়ে অহরহ বাংলা ও ইংরেজী মিলিয়ে
ফেলছে আর যারা এগুলো শুনছে তারাও আধা ইংরেজী আধা বাংলায় অভ্যস্ত হয়ে
যাচ্ছে.দুই একটি এফ এম চ্যানেলের অবস্হা বর্তমানে খুবই করুণ ।তাই আমার
মনে হয় আর বসে থাকার সময় নেই ,প্রিয় মাতৃভাষাকে সমুন্নত রাখতে সবাই কে
সচেতন হবে ও প্রতিহত করতে হবে ভাষা বিদ্বেষীদের ।রক্তের বিনিময়ে
বাংলাভাষাকে রক্ষায় কাজ করতে হবে ।
যারা মাতৃভাষার ভাষার অকাতরে বিলিয়ে গেছে তাদের প্রাণ ও যারা সংগ্রামের
মাধ্যমে মাতৃভাষার সম্মান কে রেখেছে অক্ষূর্ণ ।আর ঘৃণা প্রর্দশন করছি
তাদের প্রতি যারা ভাষাকে অবমূল্যায়ন করছে ও বিভিন্নভাবে করছে কলুষিত
।বাংলাভাষা আজ শুধু আমাদের মধ্য সীমাবদ্ধ নেই যা দেশের গন্ডি পেরিয়ে
আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষায় রুপ নিয়েছে ।প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা চালাচ্ছেন
বাংলাকে জাতি সংঘের অন্যতম দাপ্ত রিক ভাষা করার জন্য ।কিন্তু দেশের মধ্য
ভাষাকে বিভিন্ন ভাবে কলুষিত করা হচ্ছে ,পাঠক ভাবুন ইংলিশ মিডিয়াম
স্কুল গুলোর কথা ,আমাদের শিশুদের যেখানে মাতৃভাষায় পড়াশোনা করার কথা অথচ
সেখানে অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যারা এখনো বাংলা ঠিক মত উচ্চারন করতে
পারেনা ও বলতে পারেনা ।অন্যদিকে এফএম রেডিও গুলো ভাষাকে করছে সবচেয়ে
বেশী কলংকিত, তারা কথা উচ্চারন করতে গিয়ে অহরহ বাংলা ও ইংরেজী মিলিয়ে
ফেলছে আর যারা এগুলো শুনছে তারাও আধা ইংরেজী আধা বাংলায় অভ্যস্ত হয়ে
যাচ্ছে.দুই একটি এফ এম চ্যানেলের অবস্হা বর্তমানে খুবই করুণ ।তাই আমার
মনে হয় আর বসে থাকার সময় নেই ,প্রিয় মাতৃভাষাকে সমুন্নত রাখতে সবাই কে
সচেতন হবে ও প্রতিহত করতে হবে ভাষা বিদ্বেষীদের ।রক্তের বিনিময়ে
বাংলাভাষাকে রক্ষায় কাজ করতে হবে ।
--
Thank you
RUBEL AHMED
visit korun http://www.poorchildclub.blogspot.com
http://www.todaybd.blogspot.com
Subscribe to:
Posts (Atom)








